শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ:
ধামগড় ইউঃ শ্রমিক লীগের সাধাঃ সম্পাদক খোকনের মায়ের মৃত্যুতে সভাপতি মোশারফের শোক বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সনমান্দী ইউপি’র ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের সবাইকে পরি বানু’র শুভেচ্ছা ধামগড় ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি হলেন গাজী আঃ কাদির ধামগড় ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত// সভাপতি মোশারফ ও সম্পাদক খোকন আমরা অহিংস ও নিরস্ত্র যুদ্ধ করবো-ভিপি বাদল মেয়র হাছিনা গাজীকে ও কাউন্সিলর আতিকুর রহমানকে পুনরায় নির্বাচিত করতে মতবিনিময় সভা আব্দুল হাই ভূঁইয়া’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এড. শাহাজাদা ভূঁইয়া’র গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জামপুর ইউনিয়নের মাঝেরচরে শেখ রাসেল শিশু কিশোর ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মদনপুর ইউনিয়ন আ’লীগের উদ্যোগে ও শেখ রুহুল আমিনের সৌজন্যে ভিপি বাদলের মাস্ক বিতরণ বন্দরের মিনারবাড়িতে বঙ্গবন্ধু পাঠাগারের সৌজন্যে ভিপি বাদলের মাস্ক বিতরণ

বন্দরের মারিয়া হত্যার অভিযোগে ধৃত আসামী সোহেলের কঠিন শাস্তি চায় নিহতের স্বজনেরা

নিউজ নারায়ণগঞ্জ ৭১ ডট কমঃ
বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের লাঙ্গলবন্দ নগর এলাকার মিলন মিয়ার মেয়ে মারিয়া (১৯)কে হত্যা করার অভিযোগ এনে দায়েরকৃত মামলার আসামী নিহতের স্বামী সারওয়ার হোসেন সোহেল (২৮)কে গত মাসের ২০ তারিখে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে নিহতের স্বজনেরা।

বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন আছে এবং নিহতের লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রস্তুতকৃত রিপোর্ট সহ সমস্ত বিষয় আমলে নিয়ে বিজ্ঞ আদালত সোহেলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করবেন বলে আদালত ও আইনের প্রতি প্রত্যাশা জানিয়েছেন নিহত মারিয়ার পরিবারের লোকজন।

ধৃত সারওয়ার হোসেন সোহেল চাঁদপুর জেলার মতলব থানার নয়াকান্দী গ্রামের রফিকুল মোল্লার ছেলে।

নিহত মারিয়ার পিতা মিলন মিয়া জানান, ‘৫ মাস আগে মারিয়ার সাথে সোহেলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং তারা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। পালিয়ে যাবার ২ মাস পর তাদের খোঁজ পাওয়া যায় এবং বিয়ের বিষয়টি জানতে পেরে মারিয়ার পরিবারের লোকজন বিয়ের স্বীকৃতি দিয়ে গত ২ মাস আগে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে বিয়ের একটি জাকজমক অনুষ্ঠান করে। বিয়ের পর তারা সিদ্ধিরগঞ্জের হীরাঝিলে একটি ভাড়া বাসায় থাকতো। বিয়ের অনুষ্ঠানের ৩ দিন পর উক্ত ভাড়া বাসার মালিকের মেয়ের সাথে সোহেলের পরকিয়া প্রেমের বিষয়টি জানতে পেরে মারিয়া ও সোহেলের মধ্যে এ নিয়ে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে মারিয়াকে সোহেল সহ উক্ত ভাড়া বাসার লোকজন বেধরক পিটিয়ে আহত করে। এতে তার মৃত্যু হয়। সোহেল এ বিষয়ে তার শশুর বাড়ির লোকজনকে জানায়, মারিয়াকে মারধর করার পর সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মারিয়া বিকেল ৩টায় মারা গেলেও হীরাঝিলস্থ তাদের ভাড়া বাসার মালিকের লোকজন লাঙ্গলবন্দ নগর এলাকায় মারিয়ার বাবার বাড়িতে এসে দিবাগত রাত দেড়টায় তার মৃত্যুর খবর জানায়।

পরবর্তীতে নিহতের মা আসমা বেগম বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় সারওয়ার হোসেন সোহেলকে বিবাদী করে একটি মামলা এবং সারওয়ার হোসেন সোহেল, তার পিতা রফিকুল মোল্লা, ভাড়া বাসার মালিক ফকির চাঁন ও তার মেয়ে কেয়াকে বিবাদী করে আদালতে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।

গত মাসের ২০ তারিখের রাতে সোহেল মারিয়াদের বাড়িতে আসলে তাকে স্থানীয়রা ও নিহতের স্বজনেরা আটক করে ৯৯৯ এ ফোন করলে খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) ফারুক হোসেন আসামী সোহেলকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। পরদিন তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

নিহত মারিয়ার বাবা মিলন মিয়া আরও জানান, ‘পরিকল্পিতভাবে ও মারাত্মকভাবে পিটিয়ে আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। জড়িত সকলকে দ্রুত গ্রেফতার করে তাদের কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করতে প্রশাসনের নিকট আমি জোড়ালো দাবী জানাচ্ছি এবং ধৃত সোহেলকে কঠিন ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে আদালতের নিকট অনুরোধ জ্ঞাপন করছি’।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন


© All rights reserved © 2019 Newsnarayanganj71
Design & Developed BY N Host BD