বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ:
সর্বস্তরের সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মাহাবুব পারভেজ সর্বস্তরের সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আনোয়ার হোসেন আনু শামীম ওসমান ও ডাঃ বিরুর পক্ষ থেকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নাসির উদ্দিন কাঁচপুর ইউপি’র ১নং ওয়ার্ডবাসীকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোঃ উজ্জল ধামগড় ইউনিয়নবাসীকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন শরীফ হোসেন আসুন মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি-শাহাদাৎ হোসেন আসুন মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি-মোঃ শফিউল্লাহ মদনপুর ইউপি’র ২নং ওয়ার্ডবাসীকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অহিদ ভূঁইয়া আসুন মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি-সামছুল আলম (নয়ন) সনমান্দী ইউনিয়নবাসীকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নজরুল ইসলাম

সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদে মুসল্লীদের উপর আজিজুল বাহিনীর হামলা

নারায়ণগঞ্জ বন্দরে সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদে ঈমাম তাড়ানোকে কেন্দ্র করে জুম্মার নামাজের বয়ানের সময় জাতীয় পার্টি নেতা আজিজুল বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছেন বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ সানুসহ কয়েকজন মুসল্লীবৃন্দ। শুক্রবার ২এপ্রিল সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদে জুম্মার নামাজের সময় এ ঘটনাটি ঘটে।

জানাগেছে,বেশ কিছুদিন যাবৎ বন্দর সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদের পেশ ঈমাম মুফতী সাইফুল্লাহকে নিয়ে কমিটির একটি অংশ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এমনকি তাকে তাড়ানোর জন্য মসজিদের ভিতরে কয়েকবার মুসল্লীদের সঙ্গে জাতীয়পার্টি নেতা আজিজুল,মসজিদ কমিটির সাধারন সম্পাদক মহিউদ্দিন,জামাত নেতা কাজী মামুন,মুতুয়াল্লী সিরাজ মুন্সি ও শরিফের সাথে বাকবিতন্ডাও হয়। পরে ঈমাম মুফতী সাইফুল্লাহ গত বৃহস্পতিবার মসজিদের কমিটির কাছে বেতন বুঝে নিয়ে চলে যায়। এমন সংবাদে সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি এবাদুল্লাহসহ শতাধিক মুসল্লী গিয়ে ঈমাম মুফতী সাইফুল্লাহ মিয়াকে অনুরোধ করে জুম্মার নামায আদায় করার জন্য মসজিদে নিয়ে আসে। এরই জের ধরে জুম্মার নামাজের বয়ানের সময় আকস্মিকভাবে জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আজিজুলসহ ৩০/৪০জনের একটি সংঘবদ্ধ দল মসজিদে প্রবেশ করে হইচই শুরু করে দেয়। এ সময় ওই মসজিদ কমিটির সভাপতি এবাদুল্লাহসহ কয়েকশত মুসল্লীদের মধ্যে পূণরায় তর্ক বিতর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে ঈমামের উপর মারমূখী আচরন করার সময় স্থানীয় মুসল্লীদের মধ্যে আজিজুলের বাহিনীর হাতাহাতিতে রুপ নেয়। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিতে বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ সানু এগিয়ে গেলে তাকে জাতীয় পার্টি নেতা আজিজুল লাঞ্চিত করে। এ ঘটনায় সংবাদ পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ এসে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়।

এ ঘটনায় সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদের ঈমাম মুফতী সাইফুল্লাহ(০১৬৮৬৯০৫১৪০) মুঠোফোনে জানান,আসলে মসজিদ হচ্ছে আল্লাহর ঘর। এখানে উচুনিচু কোন ভেদাভেদ নাই। মসজিদের মুতোয়াল্লী সিরাজ মুন্সি,তার ছেলে জামাত নেতা কাজী মামুনসহ কমিটির আংশিক কিছু লোক মসজিদে জামায়াত ইসলামী প্রক্রিয়ায় পরিচালনা করতে চায়। মুয়াজ্জীণের সাথে দূর্বব্যবহার করে। মিলাদের নামে কমিশন প্রক্রিয়া চালু করতে চায়। মসজিদের হিসেব-নিকেশেও তারা গোপন করতে চায়। আমি এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করাতেই আমাকে মসজিদ থেকে তাড়ানোর জন্য তারা উঠে পড়ে লেগেছে। আজ তারা জুম্মার নামাজের সময় মসজিদে প্রবেশ করেই হইচই করলে স্থানীয় মুসল্লীরা তাদের এমন অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ করে। এ সময় তারা একজন জনপ্রতিনিধির কথা শুনে নাই। আমার উপর যত জুলুমই হোক না কেন সত্য ও ন্যায়ের পথ থেকে আমি এক চুলও নড়ব না ইনশাআল্লাহ।

বন্দর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ সানু বলেন, সোনাকান্দা কিল্লা জামে মসজিদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মসজিদ। এই মসজিদের ঈমাম মুফতী সাইফুল্লাহসাহেবও খুব ভাল বয়ান করেন। কিন্তু তিনি একটু প্রতিবাদী। কোন অন্যায়-অবিচার দেখলে প্রতিবাদ করবেনই। কিছু জামাত সমর্থিত লোকদের নিয়ে জাতীয় পার্টি নেতা আজিজুল মসজিদে জুম্মার নামাজের সময় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। আমি খবর পেয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে গিয়েছিলাম। ওই সময় আজিজুল আমার সাথে দূর্বব্যাবহার করেছে। আমি পড়ে গিয়ে পায়ে আঘাত পেয়েছি। আমার মোবাইলটাও ভেঙ্গে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন


© All rights reserved © 2019 Newsnarayanganj71
Design & Developed BY N Host BD